বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২০, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চাঁদপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করলেন মাইনুল হোসেন খান নিখিল শরীয়তপুরের রাজনীতিবিদ সৈয়দ আমীর খসরু’র ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শরীয়তপুরের সাবেক এমপি ইব্রাহিম খলিল নোয়াব বালা’র ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শরীয়তপুরের রাজনীতিবিদ সৈয়দ আমীর খসরু’র ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শরীয়তপুরে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক মন্ত্রী টি.এম গিয়াসউদ্দিনের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল উপমন্ত্রী শামীমের নির্দেশে সখিপুরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করলেন হুমায়ুন কবির মোল্যা শরীয়তপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা নাহিম রাজ্জাকের নির্দেশে ভেদরগঞ্জের ছয়গাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব টি.এম গিয়াস উদ্দিন আহমেদের ইন্তেকাল তানিয়া ইসলামের গল্প “রুপান্তর”
করোনায় আক্রান্ত ৫ ধরনের মানুষ আছে দেশে: ড. বিজন শীল

করোনায় আক্রান্ত ৫ ধরনের মানুষ আছে দেশে: ড. বিজন শীল

করোনায় আক্রান্ত ৫ ধরনের মানুষ আছে দেশে: ড. বিজন শীল

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ‘জিআর-কোভিড-১৯ র‍্যাপিড টেস্ট’ কিট উদ্ভাবক বিজ্ঞানী-গবেষক দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল মনে করেন বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত ৫ ধরনের মানুষ আছে। গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার পর্যবেক্ষণ, বাংলাদেশে বর্তমানে পাঁচ ধরনের মানুষ আছেন। ড. বিজন কুমার শীল বলেন, প্রথম সেই সৌভাগ্যবান মানুষরা যারা এক সময় নিজেদের দুর্ভাগ্যবান মনে করতেন। তারা সংক্রমিত হয়ে আবার সুস্থ হয়েছেন। তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর এই রোগে আক্রান্ত হবেন না। কিছু মানুষ আছেন যারা আক্রান্তদের কাছ থেকে কিছুটা সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি। কিন্তু, তারা আক্রান্ত। আরেকটি গ্রুপ আছে যারা প্রকৃতি থেকে সংক্রমিত হয়েছেন। তারা বাতাস বা পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের লক্ষণের পরিমাণ কম ছিল। হয়তো তাদের সামান্য জ্বর ছিল বা স্বাদ পাচ্ছিলেন না। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনারা হয়তো ইতিমধ্যে জানেন, এই ভাইরাসে সংক্রমিত হলে মুখে স্বাদ থাকে না। এর কারণ হচ্ছে, জিহ্বায় যে স্বাদ বোঝার স্নায়ুগুলো থাকে তাতে এই ভাইরাস ইনফেকশন তৈরি করে। এমন যারা ছিলেন তাদেরও অনেকেই সুস্থ হয়ে গেছেন। তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। তাদের আর সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এ বিজ্ঞানী বলেন, আরো একটি গ্রুপ আছে, যাদের শরীরে কোনো প্রকার লক্ষণ নেই। কিন্তু, তাদের লালাতে প্রচুর পরিমাণে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে। এই মানুষগুলো আমাদের জন্য ভয়ের কারণ। তারা অসুস্থ নন, সম্পূর্ণ সুস্থ। কিন্তু, তাদের কথা বলার সময় বা বিভিন্ন ভাবেই থুতুর সঙ্গে ভাইরাসটি আমাদের মাঝে ছড়াচ্ছে। আর শেষ গ্রুপ হচ্ছে যারা এখনও ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসেননি। তাদের সংখ্যা অনেক বেশি। তাদেরও অনেকের মধ্যেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ হবে, অনেকের হয়ত কোনো লক্ষণ দেখা যাবে না। তাদের মাধ্যমে ভাইরাসটি আরও ছড়াবে। যাদের বয়স একটু বেশি, অন্যান্য শারীরিক সমস্যা আছে তাদের জন্য এটি চিন্তার কারণ হতে পারে। এটা যেহেতু মহামারি আকার ধারণ করেছে, তাই আমরা কখনোই ভাবতে পারব না যে ভাইরাসটি থেকে আমরা দূরে থাকতে পারব।

ড. বিজন কুমার শীল বলেন, আমি মনে করি যারা ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে আবার সুস্থ হয়েছেন তাদের যদি খুঁজে বের করতে পারি তাহলে ১০০ ভাগ লকডাউন থেকে মুক্তি হওয়া যাবে। আমাদের পুলিশ ভাইদের রাস্তায় দেখি গরমের মধ্যে পিপিই পরে দাঁড়িয়ে থাকেন। এটা কিন্তু দুঃসহ। তাদের মধ্যে অনেকেই সংক্রমিত হয়েছেন। এটা সত্য যে অনেকের দেহেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে লক্ষণসহ, আবার অনেকেই আছেন যাদের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তাদের খুঁজে বের করতে করার পরামর্শ এই বিজ্ঞানীর।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 Lalsabujnews24.Com
Desing & Developed BY Kazi Jahir Uddin Titas::01713478536