বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২০, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গোসাইরহাটে আক্কেল ফাউন্ডেশনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম কর্ণেল এসএম ফয়সাল (অব.) এর উদ্যোগে বিপদগ্রস্তদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুর জেলা পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং এর উদ্যোগে ভিক্ষুকদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পানি সম্পদ উপমন্ত্রীর শামীমের উদ্যোগে চিকিৎসককে ফোন দিলেই পৌঁছে যাবে রোগীর বাড়িতে নিজ গাড়ী দিয়ে বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিলেন মানবিক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ার হোসাইন খান শরীয়তপুর পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর বেপারীর উদ্যোগে অসহায়দের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ দক্ষিণ তারাবুনিয়ায় চেয়ারম্যান শাহজালাল মাল খাদ্য সামগ্রী নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন শরীয়তপুরে অসহায়দের মাঝে সাবেক ছাত্রনেতা মেহেদী জামিলের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শরীয়তপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা জুয়েলের নেতৃত্বে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ভেদরগঞ্জের ছয়গাঁওে অসহায়দের মাঝে আওয়ামীলীগ নেতা মানিক ব্যানার্জীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম

মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিলেন উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম

স্টাফ রিপোর্টার:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রেল দুর্ঘটনায় মা হারানো শিশু মাহিমার পড়ালেখাসহ ভবিষ্যতের সার্বিক বিষয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম।

বুধবার সকালে ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে গিয়ে তার দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেন উপমন্ত্রী শামীম।

ওই হাসপাতালে কসবা দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৭ জনের চিকিৎসা চলছে। শিশু মাহিমার নানা বাড়ি শরীয়তপুর জেলার সখিপুরের আরশিনগরে। উপমন্ত্রী শামীম ওই এলাকার এমপি।

উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আহতদের মধ্যে ৭ জনকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আজ সকালে সেখানে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ নেন।

তিনি বলেন, আহত শিশু মাহিমা তার মা হারিয়েছে, স্বজন হারিয়েছে। সে তার নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা। এজন্য তিনি শিশুটির সার্বিক দায়িত্ব নিয়েছেন। ভবিষ্যতে শিশু মাহিমার পড়ালেখাসহ সার্বিক বিষয়ে সহায়তা দেবেন তিনি।

ট্রেন দুর্ঘটনার পর শিশুটিকে ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ওই সময়ে তার কোনো স্বজন পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিচয় খুঁজতে মাথায় ব্যান্ডেজ পেচানো রক্তাক্ত শিশুটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তার বাবা মাইনুদ্দিন পরিচয় শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি স্ত্রী কাকলি আক্তারের লাশও শনাক্ত করেন।

মাইনুদ্দিন জানিয়েছিলেন, রবিবার সিলেটের হযরত শাহজালাল (রা.) ও হযরত শাহ পরানের (রা.) মাজার জিয়ারত করতে যান তার স্ত্রী কাকলি আক্তার, মেয়ে মাহিমা আক্তার, মামা জাহাঙ্গীর আলম, মামী আমাতন বেগম ও মামাতো বোন মরিয়ম। সোমবার সিলেট থেকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে চাঁদপুরের উদ্দেশে রওনা হন তারা। চাঁদপুর থেকে ট্রলারে করে তাদের শরীয়তপুরের সখিপুরে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী, মামি ও মামাতো বোন মারা যান।

সংবাদটি পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 Lalsabujnews24.Com
Desing & Developed BY Kazi Jahir Uddin Titas::01713478536